মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম
সংগ্রাম-লড়াইয়ের আখ্যান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১, দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় ঐক্য মনোনীত, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা ও দিনাজপুর জেলা দক্ষিণের আমীর ছিলেন দীর্ঘ ১৫ বছর।
তার আগে দিনাজপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি (এক মেয়াদে সহকারি সেক্রেটারিসহ) ছিলেন ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত। হাকিমপুর ও বিরামপুরের থানা আমীরের দায়িত্ব পালনের পর জেলা শাখায় স্থানান্তরিত হন।
সাংগঠনিক দায়িত্বের দীর্ঘ মেয়াদে তিনি ছুটেছেন ঘোড়াঘাট থেকে বীরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থেকে বিরল, হাকিমপুর থেকে খানসামা, বিরামপুর থেকে বিরল। তবে দিনাজপুর জেলা শাখায় সুদীর্ঘ দায়িত্ব পালনের সময়ও তার স্থায়ী ঠিকানা দূরের কথা, অস্থায়ী নিবাসও বদলায়নি।
২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দিনাজপুর-৬ আসনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও বিতর্কিত ফলাফলে পরাজিত হতে হয় তাকে। ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪৬৩টি প্রদত্ত ভোটে ব্যবধান ছিল মাত্র ৮৫৮।
সেবার বাংলাদেশের ৩০০ আসনে প্রদত্ত (কাস্টিং) ভোটসংখ্যার ও ভোটসংখ্যার শতকরা হারের ব্যবধান এর চেয়ে কম ছিল মাত্র দুটি (০২)। তবে দিনাজপুর-৬ আসনের জনগণের মনে তিনিই ছিলেন ‘এমপি’।
২০০৮ সালে শুরু যে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের এ অধ্যায়ের, তার শুরু থেকেই একনায়ক ও স্বৈরাচারতন্ত্রের কলাকূশলীদের চক্ষুশূল ছিল আনোয়ারুল ইসলামের সাংগঠনিক দক্ষতা ও বিপুল জনপ্রিয়তা।
২০১৩ সালের জুলাইয়ে হাকিমপুর থেকে ফেরার পথে ভোরবেলা বিরামপুর রেলগেটের আগে তাকে পুত্রসহ আটক করে পুলিশ। এরপর দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা তাকে গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করে যায় তারা, তাতেই পরিষ্কার, রাষ্ট্রযন্ত্রের উদ্দেশ্য ছিল আরও ভয়ানক।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সব মামলায় জামিন পেয়ে মুক্ত হলেও জেলগেট থেকেই আবার গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
২০১৪ সালের সেই আমি-ডামির তথাকথিত নির্বাচনের পর বাংলাদেশের মানুষ বুক বেঁধেছিল ২০১৮ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে। অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তার আগেই। তবুও ঐক্যফ্রন্ট জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতায় প্রার্থী করেছিল আনোয়ারুল ইসলামকে, যিনি বাধ্য হয়েছিলেন অন্য প্রতীকে নির্বাচন করতে।
সে নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের এপ্রিলে আবার গ্রেপ্তার করা হয় তাকে নবাবগঞ্জ থেকে। কারাগারের বাইরে তাকে রেখে ভরসা না পাওয়া ফ্যাসিবাদের কুশীলবরা নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে আবার আটক করে তাকে। যে জানাজার নামাজ ফরজে কিফায়া, সে ইবাদত পালন করতে গিয়েও গ্রেপ্তারের শিকার হতে হয়েছিল তাকে।
রাতের ভোট নামে পরিচিত আরেকটি বিতর্কিত নির্বাচন শেষ পর্যন্ত বর্জন করতে বাধ্য হয়েছিলেন দুপুর না গড়াতেই। এরপরও চার থানার ৬৯ হাজারের বেশি ভোটার লড়াই করেছিলেন তার পক্ষে।
তবে অমন পাতানো নির্বাচনের পরও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও আনোয়ারুল ইসলামের জনপ্রিয়তাকে ভয় পাচ্ছিল ফ্যাসিবাদের ক্রীড়নকেরা, বর্তমান জেলা সেক্রেটারি এনামুল হকসহ থানা ও জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে আবার ২০১৯ সালে।
যে পুলিশ তাকে আটকে রেখেছে বারবার, জড়িয়েছে অসংখ্য মিথ্যা মামলায়; দেশের শৃঙ্খলা ও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সেই পুলিশদেরই থানা পাহারা দেওয়ায় অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে, রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের পর।
১৩ জুলাই ১৯৬১ সালে হাকিমপুর উপজেলার দেবখন্ডা গ্রামে মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডল ও মরহুমা আমেনা বেগমের ঘরে জন্ম মোঃ আনোয়ারুল ইসলামের।
আনোয়ারুল ইসলামের পিতা মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডল ছিলেন অত্র এলাকার স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও দানবীর ব্যক্তি। বর্তমানে বিরামপুর সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্নে ১০ একর ২০ শতক জমি দান করেছিলেন তিনি।
শুধু তাই নয়, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিরামপুর কলেজের ব্যয়ের তহবিলে প্রতি মাসে সেই আমলের এক হাজার এক টাকা করে দান করতেন মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডল। এমনকি কলেজের বর্তমান মূল ভবন নির্মাণের সময় অস্থায়ী কার্যক্রম চালানোর জন্য ভবনও নির্মাণ করে দেন তিনি বিরামপুরের ঘাটপাড়ে।
সেই ঘাটপাড়ে, সেই বিরামপুর কলেজের অস্থায়ী অবকাঠামোকে ঘিরেই আনোয়ারুল ইসলামের বর্তমান বাসভবন।
মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডল শুধু বিরামপুর কলেজ নয়, অত্র এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তার হাত বাড়াতেন বারবার।
তার জনপ্রিয়তা সহ্য হয়নি তখনকার শাসকগোষ্ঠির। ১৯৭৪ সালে তৎকালিন রক্ষী বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হন মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডল। আনোয়ারুল ইসলাম তখন দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের (বাংলা স্কুল) দশম শ্রেণির ছাত্র। পিতার মৃত্যুসংবাদ তিনি পেয়েছিলেন ফুলবাড়ি রেলস্টেশনে (সে সময় দিনাজপুর থেকে সড়কপথ ছিল ফুলবাড়ি পর্যন্ত, বাকিটা আসতে হতো রেলপথে) বসে, সম্পূর্ণ অপরিচিত ব্যক্তিরা যখন মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডলের হত্যার গল্প করতে করতে আফসোস করছিলেন।
দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বাংলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও জয়পুরহাট সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চমাধ্যমিকে পাশ করার পর বিএসসিতে ভর্তি হয়েছিলেন ঠিকই, তবে পিতার অকাল ইন্তেকাল ও মাসহ ২১ ভাইবোনের বিশাল বিধ্বস্ত পরিবার সামলানোর দায়িত্ব নিতে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনায় এগোনো হয়নি তার।
তবে তার আগেই পেয়েছিলেন কুরআন, হাদিস, ইসলামী আন্দোলনের সান্নিধ্য। জয়পুরহাট কলেজে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে দুবার ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন।
এরপর যোগ দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে। তবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে রাখেন উজ্জ্বল ছাপ।
বিরামপুরে আল মারূফ ট্রাস্ট্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, বর্তমানে এ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তিনি। এ ট্রাস্টের অধীনেই পরিচালিত বিরামপুর আদর্শ হাই স্কুল, যা অত্র এলাকার অন্যতম সেরা স্কুল হিসেবে বর্তমান সময়ে বিবেচিত। মাধ্যমিকে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষতালিকায় বরাবরই জায়গা করে নিচ্ছে আদর্শ হাই স্কুল।
আদর্শ হাই স্কুলের সঙ্গে এ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত বিরামপুর আদর্শ স্কুল (ইসলামিক কিন্ডার গার্টেন), বিরামপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, বায়তুল হেদায়া জামে মসজিদ ও দাতব্য চিকিৎসালয়।
এর পাশাপাশি বিরামপুর ডায়াবেটিক ও হেলথ কেয়ার সেন্টারের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম। অত্র এলাকার চিকিৎসাক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠান পালন করছে অগ্রগণ্য ভূমিকা।
হাকিমপুরে আল খায়ের ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যানও আনোয়ারুল ইসলাম। পাউশগাড়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সদস্য ছিলেন সুদীর্ঘ ২৬ বছর। বিরামপুর সরকারি কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন দুই মেয়াদে।
দিনাজপুরের বিভিন্ন ট্রাস্ট ও হাসপাতালের গভর্নিং বডিতেও বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জাতীয় সংগঠন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের (আইবিডব্লুএফ) রংপুর অঞ্চলের বর্তমান প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি।
কলেজ জীবন থেকেই ম্যাগাজিন সম্পাদনা, প্রবন্ধ, কবিতা লেখালেখির পাশাপাশি অংশ নিয়েছেন বিতর্কে। বিরামপুর সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোগো ডিজাইনও করেছেন তিনি।
এ অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম নিবেদিত প্রাণ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম শুধু মিছিল-সমাবেশের অন্যতম পরিচিত মুখ নন, একজন বাগ্মীও। তাঁর বক্তব্য, আলোচনা অনুপ্রাণিত করেছে অনেককে।
তার সহধর্মিনী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা ইউনিটের সদস্য, আদর্শ স্কুল ইসলামিক কিন্ডার গার্টেনের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাদের পাঁচ সন্তান, সঙ্গে পুত্রবধু-জামাতা ও চার নাতি-নাতনি।
তাদের সন্তানেরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতে (ইকনমিকস) স্নাতকত্তোর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানে (সোশলজি) স্নাতকত্তোর, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর থেকে ইংরেজিতে (ইংলিশ) স্নাকতত্তোর, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম থেকে ব্যাচেলর অফ ল (এলএলবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎকৌশল বিভাগ (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং) থেকে ব্যাচেলর অফ সাইন্স ডিগ্রী নিয়ে স্ব স্ব কর্মে নিযুক্ত।
তাদের জামাতারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ওরাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) পুরকৌশল (সিভিল);পুত্রবধুরা কারমাইকেল কলেজ রংপুর থেকে উদ্ভিদবিদ্যা (বোটানি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস (হিস্টোরি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নে (কেমিস্ট্রি) পড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি গবেষণারত।
বিরামপুরের ঘাটপাড়ের কোবাদ মঞ্জিলে মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম বাস করছেন প্রায় চার দশক। তাঁর মহল্লায় বারোয়ারি তলা মন্দির ও পুরাতন বাজার মসজিদের মধ্যে দূরত্ব কয়েক পা। ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য এ উদাহরণ সেইসব সুযোগসন্ধানীদের জন্য এক চপেটাঘাত, যারা তৈরি করতে চায় সাম্প্রদায়িক বিভেদ।
২০০৮ সালে মোঃ আনোয়ারুল ইসলামের অন্যতম নির্বাচনী ওয়াদা ছিল বিরামপুরে জেলা বাস্তবায়ন, হিলি স্থলবন্দরের আমূল উন্নয়ন, চার থানার মানুষের জীবনের গুণগত মান পরিবর্তন। সেবার তিনি সে সুযোগ পাননি।
গত ১৮ বছর যারা তথাকথিত জনপ্রতিনিধি হয়ে জাতীয় সংসদে যাওয়ার সুযোগ ছিনিয়ে নিয়েছেন, তারা স্বাভাবিকভাবেই কথা রাখেননি।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান খুলে দিয়েছে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। যে দুয়ারের ওপাশে এক নতুন বাংলাদেশ।
দিনাজপুর-৬—নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর—আসন তথা বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ভর করছে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ওপর।
শুধু গত ১৮ বছরের করাল দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন, একনায়কতন্ত্রের ভয়াল থাবার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নয়; প্রায় চার দশক ধরে বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জের আপামর জনসাধারণের, তারুণ্যের হয়ে যিনি আওয়াজ তুলেছেন, সঁপে দিয়েছেন নিজেকে, তিনি এ মাটির সন্তান—মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। তার সঙ্গী আপনি ও আপনারা।
তিনি সংসদ সদস্য হতে এ এলাকায় আগমণ ঘটাননি, তিনি ছিলেন এখানেই। আপনাদের সঙ্গে।
আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান যেমন বলেছেন, ‘আনোয়ারুল ইসলাম—দীর্ঘদিন তিনি মাঠে-ময়দানে চষেছেন। এ ময়দানকে তৈরি করেছেন। একবার তাকে ঠকানো হয়েছে। এবার আর কেউ ঠকাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।’
ভোট আপনার পবিত্র আমানত, নাগরিক দায়িত্ব; ব্যালটে মারার জন্য আপনাকে দেওয়া সিল হবে দেশ গড়ার চাবিকাঠি।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর-৬ আসনে, হাকিমপুরে, বিরামপুরে, নবাবগঞ্জে, ঘোড়াঘাটে আপনার সে ভোট হোক গণভোটে ‘হ্যাঁ’, মোঃ আনোয়ারুল ইসলামের ‘দাঁড়িপাল্লা’য়।
কারণ চার থানায় আজ আওয়াজ উঠেছে, ‘জাগো বারে, কোটে গেলেন সবাই!’
